অর্থনৈতিক সমস্যা এবং এর সমাধান
সম্পদ কাকে বলে?
যেসব বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্যের উপযোগ আছে, যোগান সীমাবদ্ধ, যাদের হস্তান্তরযোগ্যতা, বাহ্যিকতা ও বিনিময়মূল্য বিদ্যমান সেগুলোই অর্থনৈতিক দ্রব্য বা সম্পদ।
সম্পদ বলতে দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের জন্য ব্যবহার উপযোগী উপাদানকে বুঝায়।
অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ। আধুনিক অর্থনীতির জনক স্যামুয়েলসন আবার কেউ কেউ অধ্যাপক মার্শালকে আধুনিক অর্থনীতির জনক বলে অভিহিত করেন।
অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে সম্পদের বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেন।
অধ্যাপক মার্শাল, ক্যানান, পিগু প্রমুখ অর্থনীতিকে কল্যাণের বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেন।
এল রবিন্সের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে তিনটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়।
ক) অসীম অভাব
খ) সীমিত বা দুষ্প্রাপ্য সম্পদ
গ) সীমিত সম্পদের বিকল্প ব্যবহার।
১৯৩৩ সালে ওসলো বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাগনার ফ্রিশ দুইভাগে বিভক্ত করেন।
গত শতাব্দীতে (১৯৩০-৩৩) মহামন্দার পূর্বে ব্যষ্টিক অর্থনীতি এবং মহামন্দার কারণ ও তার প্রতিকার নির্ণয়ে লর্ড জে.এম কেইন্স কর্তৃক ১৯৩৬ সালে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ "The General Theory of Employment, Interest & Money" প্রকাশের পর সামষ্টিক অর্থনীতির গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।
প্রকারভেদ: অর্থনীতি দুই প্রকার। যথা:
১। ব্যষ্টিক অর্থনীতি:
২। সামষ্টিক অর্থনীতি:
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১। ব্যষ্টিক অর্থনীতিঃ ব্যষ্টিক শব্দটি ইংরেজি micro ও গ্রিক mikors এর শাব্দিক অর্থ। এর বাংলা অর্থ অতি ক্ষুদ্র ।
অর্থনীতির প্রতিটি এককের আচরণ ও কার্যকলাপ যখন পৃথক পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলে।
যেমন: ব্যক্তিগত চাহিদা, যোগান, আয়, ভোগ, সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং কোনো একটি উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, মুনাফা ইত্যাদি ।
২। সামষ্টিক অর্থনীতি: সামষ্টিক শব্দের ইংরেজি শব্দ macro এবং গ্রিক শব্দ makros যার বাংলা অর্থ বড় বা সামগ্রিক ।
অর্থনীতির আওতাভূক্ত কোনো বিষয়কে যখন সামগ্রিক বা জাতীয় পর্যায়ে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে।
যেমন: সামগ্রিক চাহিদা, সামগ্রিক যোগান, সামগ্রিক ভোগ, সাধারণ মূল্যস্তর, মজুরি স্তর, জাতীয় আয়, সামগ্রিক বিনিয়োগ ব্যয়, জাতীয় সঞ্চয়, নিয়োগ স্তর প্রভৃতি।
সুযোগ ব্যয়: একটি দ্রব্যের অতিরিক্ত উৎপাদন পাওয়ার জন্য অপর দ্রব্যের উৎপাদন যতটুকু ছেড়ে দিতে হয়, সেই ছেড়ে দেওয়ার পরিমাণ হলো সুযোগ ব্যয়।
প্রকারভেদ: সুযোগ ব্যয় তিন প্রকার। যথা:
1. ক্রমবর্ধমান সুযোগ ব্যয়
2. ক্রমহ্রাসমান সুযোগ ব্যয়
3. স্থির সুযোগ ব্যয়
উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা: উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা এমন একটি বিন্দুর সঞ্চারপথ যা কোনো সমাজের বিদ্যমান সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতা ও অভাবের নির্বাচন সাপেক্ষে উৎপাদনযোগ্য দুটি দ্রব্যের সকল সম্ভাব্য সংমিশ্রণ নির্দেশ করে। এ রেখাকে অর্জনযোগ্যতার সীমা বলে।
Practise:
নিচের সূচি থেকে চিত্র অংকন করে কোনটি কোন ধরণের সুযোগ ব্যয় তা চিহ্নিত কর:
যেসব বস্তুগত ও অবস্তুগত দ্রব্যের উপযোগ আছে, যোগান সীমাবদ্ধ, যাদের হস্তান্তরযোগ্যতা, বাহ্যিকতা ও বিনিময়মূল্য বিদ্যমান সেগুলোই অর্থনৈতিক দ্রব্য বা সম্পদ।
সম্পদ বলতে দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের জন্য ব্যবহার উপযোগী উপাদানকে বুঝায়।
অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ। আধুনিক অর্থনীতির জনক স্যামুয়েলসন আবার কেউ কেউ অধ্যাপক মার্শালকে আধুনিক অর্থনীতির জনক বলে অভিহিত করেন।
অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে সম্পদের বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেন।
অধ্যাপক মার্শাল, ক্যানান, পিগু প্রমুখ অর্থনীতিকে কল্যাণের বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেন।
অর্থনীতি: অর্থনীতি হচ্ছে একটি বিজ্ঞান, যা মানুষের অসীম অভাব ও বিকল্প ব্যবহারযোগ্য দুষ্প্রাপ্য সম্পদের মাঝে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে মানবীয় আচরণকে বিশ্লেষণ করে।এল রবিনস্ ই প্রথম দুষ্প্রাপ্য ধারণাটির অবতারণা করেন এবং অর্থনীতিকে স¦ল্পতার বা অপ্রাচুর্যতার বিজ্ঞান বলে অভিহিত করেন।
এল রবিন্সের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে তিনটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়।
ক) অসীম অভাব
খ) সীমিত বা দুষ্প্রাপ্য সম্পদ
গ) সীমিত সম্পদের বিকল্প ব্যবহার।
১৯৩৩ সালে ওসলো বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাগনার ফ্রিশ দুইভাগে বিভক্ত করেন।
গত শতাব্দীতে (১৯৩০-৩৩) মহামন্দার পূর্বে ব্যষ্টিক অর্থনীতি এবং মহামন্দার কারণ ও তার প্রতিকার নির্ণয়ে লর্ড জে.এম কেইন্স কর্তৃক ১৯৩৬ সালে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ "The General Theory of Employment, Interest & Money" প্রকাশের পর সামষ্টিক অর্থনীতির গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়।
প্রকারভেদ: অর্থনীতি দুই প্রকার। যথা:
১। ব্যষ্টিক অর্থনীতি:
২। সামষ্টিক অর্থনীতি:
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১। ব্যষ্টিক অর্থনীতিঃ ব্যষ্টিক শব্দটি ইংরেজি micro ও গ্রিক mikors এর শাব্দিক অর্থ। এর বাংলা অর্থ অতি ক্ষুদ্র ।
অর্থনীতির প্রতিটি এককের আচরণ ও কার্যকলাপ যখন পৃথক পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলে।
যেমন: ব্যক্তিগত চাহিদা, যোগান, আয়, ভোগ, সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং কোনো একটি উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয়, মুনাফা ইত্যাদি ।
২। সামষ্টিক অর্থনীতি: সামষ্টিক শব্দের ইংরেজি শব্দ macro এবং গ্রিক শব্দ makros যার বাংলা অর্থ বড় বা সামগ্রিক ।
অর্থনীতির আওতাভূক্ত কোনো বিষয়কে যখন সামগ্রিক বা জাতীয় পর্যায়ে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে।
যেমন: সামগ্রিক চাহিদা, সামগ্রিক যোগান, সামগ্রিক ভোগ, সাধারণ মূল্যস্তর, মজুরি স্তর, জাতীয় আয়, সামগ্রিক বিনিয়োগ ব্যয়, জাতীয় সঞ্চয়, নিয়োগ স্তর প্রভৃতি।
সুযোগ ব্যয়: একটি দ্রব্যের অতিরিক্ত উৎপাদন পাওয়ার জন্য অপর দ্রব্যের উৎপাদন যতটুকু ছেড়ে দিতে হয়, সেই ছেড়ে দেওয়ার পরিমাণ হলো সুযোগ ব্যয়।
প্রকারভেদ: সুযোগ ব্যয় তিন প্রকার। যথা:
1. ক্রমবর্ধমান সুযোগ ব্যয়
2. ক্রমহ্রাসমান সুযোগ ব্যয়
3. স্থির সুযোগ ব্যয়
উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা: উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা এমন একটি বিন্দুর সঞ্চারপথ যা কোনো সমাজের বিদ্যমান সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতা ও অভাবের নির্বাচন সাপেক্ষে উৎপাদনযোগ্য দুটি দ্রব্যের সকল সম্ভাব্য সংমিশ্রণ নির্দেশ করে। এ রেখাকে অর্জনযোগ্যতার সীমা বলে।
| ধান | গম |
|---|---|
| 4 | 0 |
| 3 | 1 |
| 2 | 2 |
| 1 | 3 |
| 0 | 4 |
| ধান | গম |
|---|---|
| 4 | 0 |
| 3 | 8 |
| 2 | 14 |
| 1 | 18 |
| 0 | 20 |
| ধান | গম |
|---|---|
| 4 | 0 |
| 3 | 2 |
| 2 | 6 |
| 1 | 12 |
| 0 | 20 |